Blog

An Overview of Gram Negative Cocci

📖 Gram negative cocci.
Types :

  1. Pathogenic ( and most inportant.) : Neisseria gonorrhoeae and Neisseria meningitidis.
    1. Non pathogenic : Neisseria flava,Neisseria sicca.

চলো প্রথমে Neisseria gonorrhoeae সম্পর্কে জানি,

1.Neisseria gonorrhoeae এর morphology কি হবে?
Gram negative cocci, এরা দেখতে paired kidney beans এর মত, এরা non-acid fast, non-flagellated, non-motile, এরা spore তৈরি করে না,এদের কোন polysaccharide capsule থাকে না, এদের pili আছে, এদের outer membrane এ endotoxin (lipo-oligosaccharide) থাকে।

2.Virulence factors of N.gonorrhoeae কি কি আছে?
a)Pili (এরা columner epithelial cell এর সাথে attachment এ help করে),
b)Endotoxin( most of the gram negative bacteria এর endotoxin produce হয় lipo polysaccharide দিয়ে।কিন্তু N.gonorrhoeae এর endotoxin তৈরি হয় lipo-oligosaccharide দিয়ে,
c) OMP (outer membrane proteins),
d) IgA1 protease( N.gonorrhoeae এই IgA protease তৈরি করে এবং এইটা secretory IgA কে hydrolyze and inactivate করে দেয়। ফলে mucosal cell এর সাথে pili attachment করতে পারে),
e) Iron binding protein.

  1. এবার জানব কিভাবে ছড়ায় অর্থাৎ mode of transmission.
    -Sexual contact, Oral sex, newborn baby জন্মের সময় infected birth canal দিয়ে আক্রান্ত হতে পারে।
  2. Pathogenesis
    -Organism টা প্রথমে pili দিয়ে columner epithelial cell এর সাথে attached হয়। সেইখানে suppurative inflammatory reactions তৈরি হয়।
    -এখন In case of male – প্রচুর pus discharge হবে যেইটা pus cell, epithelial cell আর intra and extracellular gonococci দিয়ে ভরপুর থাকবে।
    খুব শীঘ্রই submucosa involve হবে এবং inflammation extend করবে posterior urethra পর্যন্ত।
    Granulation tissue form হবে। granulation tissue এর fibrosis and scarring হবে। এবং lastly stricture urethra হবে।
    -এখন In case of female,
    Purulent urethral discharge হবে। এই discharge টাই intercourse এর সময় vagina and cervix এ গিয়ে cervicitis and urethritis করে।
  3. কি কি lesions produce হয়?
    a) Male : Prostatitis, Epididymitis, Orchitis, Urethral strictures.
    b)Female : Endocervitis, Bartholinitis, Endometritis, Oophoritis, cystitis.
    c)New-born infants : purulent conjunctivitis(ophthalmia neonatorum)

6.Complications :
-Male : urethral stricture.
-Female : sterility and infertility

  1. তাহলে Laboratory তে diagnosis কিভাবে করবো?
    • প্রথম কাজ হলো Specimen কি কি নিবো।
      Male এর ক্ষেত্রে – Urethral discharge এবং Female এর ক্ষেত্রে – Endocervical swab(High Vaginal Swab)
    তাহলে প্রথমেই করবো Microscopic examination :
    এক্ষেত্রে Gram staining করে আমরা Gram negative diplocicci পাব।
    তারপর isolation & identification এর জন্য করবো Culture :
    তো কি কি Culture Media তে culture করা যাবে?!
    a. Chocolate agar media, b.Thayer -martin media c.Modified new york city media.
    কালচার করার ক্ষেত্রে –
    Incubation temperature থাকবে : 37°C. ও Incubation period : 18-24 hours এবং অবশ্যই Candle jar দিয়ে 5-10% CO₂ লাগবে কারন N. gonorrhoeae হলো Capnophillic Bacteria.
    এছাড়াও Serological test হিসেবে ELISA করা যাবে এবং PCR ও করা যাবে।
  2. তো Treatment কি হবে?
    -Ceftriaxone use করব uncomplicated gonorrhoeae এর জন্য।
    তাছাড়া রোগীর যদি Penicillin এ hypersensitivity থাকে তাহলে Azithromycin and Ciprofloxacin use করতে পারি।
    Note : Patient er sexual partner কেও treat করতে হবে একই সাথে
  3. Prevantion কি হতে পারে?
    • অবশ্যই condom use করতে হবে। Newborn এর gonococcal conjunctivitis prevent করতে পারি Erythromycin ointment দিয়ে। কিন্তু কোনো Vaccine নাই।

আচ্ছা, এইবার চল Neisseria meningitidis সম্পর্কে জানি

1.প্রথমেই Morphology গুলো জেনে নিই:
এরাও gram negative ও oval shape diplococci, surface টা দেখতে plano-convex, এরা জোড়ায় জোড়ায় অর্থাৎ paired থাকতে পছন্দ করে অথবা tetrad হিসেবেও থাকে।
polysaccharide capsule present থাকে। এদের endotoxin lipopolysaccharide দিয়ে তৈরি।

  1. এইবার আসি কি কি disease করতে পারে এই organism টি?
    Meningitis and Meningococcaemia.

3.এখন কথা হচ্ছে এই bacteria আমাদের শরীরে কিভাবে ঢুকে?
– এই পাজি organism টা air-borne droplets এর মাধ্যমে direct transmission হয় (যেমনঃ coughing, sneezing, talking and spitting) এবং এরা nasopharynx এর membrane এ colonize করে থাকে।

  1. Pathogenesis of meningococcal meningitis :
    • N.meningitidis প্রথমে nasopharynx এর membrane এ colonize করে এবং Upper resporatory tract এ normal flora হিসেবে থাকে।
      সেখানে Naso-pharyngitis develop করে।
      তারপর Bacteria blood stream এ যাবে এবং body এর specific site এ সে spread করবে( যেমন – meninges)
      এরপরে organism brain এ গিয়ে blood brain barrier cross করবে এবং ventricles এ গিয়ে outpouring হবে।
      ফলশ্রুতিতে choroiditis and ependymitis develop করে এবং organism sub-arachnoid space এ গিয়ে meningitis develop করে।
      এর জন্যে CSF বেশি বেশি তৈরি হয় এবং এর absorption কম হয়।এবং intracranial pressure বেড়ে যায় ফলে headache, vomiting, fever, convulsion, neck rigidity, squint and diplopia হয়।
  2. একে diagnosis কিভাবে করব?
    1⃣ Specimen : CSF, Blood, nasopharyngeal swabs.
    2⃣Gram staining করতে পারি।
    3⃣Culture :
    Chocolate agar media and MacConkey’s agar media.
    4⃣Latex agglutination test.
    5⃣Routine examination of CSF
  3. Treatment কি কি হতে পারে?
    -Penicillin -G is the drug of choicee and 3rd generation Cephalosporin ( Ceftriaxone use করা যায়)
  4. Prevention এর জন্য কি কি করবো?
    1⃣ Chemoprophylaxis with either rifampicin or Ciprofloxacin ( তবে বর্তমানে Ciprofloxacin resistance হয়ে গেছে)
    2⃣Immunization with meningococcal vaccine.( vaccine contains the capsular polysaccharides of group A,C,Y and W-135 strains)

তামান্না সুলতানা
প্রেসিডেন্ট আবদুল হামিদ মেডিকেল কলেজ,
সেশন: ২০১৬-১৭

Leave a Reply