ডাক্তার আপার কথা শুনে মন্তু কেমন যেন চুপচাপ হয়ে গেল, কিছু একটা চিন্তা করছে সে! তারপর কেমন উদ্বিগ্ন হয়েই বলে বসলো ” আপা, আমাগো টুনির কোন কারণে এইডা হইলো?”
ডাক্তার আপা : অনেক কারণেই হতে পারে, মন্তু মিয়া! এই কারণের ওপর ভিত্তি করে এনিমিয়ার ধরণও আলাদা হয়ে থাকে। একটু বুঝিয়ে বলি তোমাকে-
Haemorrhagic anemia, এটা আবার দুই ধরণের হয়, acute আর chronic। দুইটার ক্ষেত্রে আলাদা কারণ রয়েছে,
Acute যেখানে একবারেই অনেক blood loss হয়, সেক্ষেত্রে কারণ –হলো-
- Accidental trauma.
- Surgical operation.
এবং Chronic যেখানে অল্প অল্প করে অনেকদিন ধরে blood loss হয়, সেক্ষেত্রে কারণ হলো-
- GIT lesion ( bleeding peptic ulcer, hookworm infestation, bleeding piles)
- Gynaecological disturbance ( menorrhagia)
Haemolytic anemia যেখানে অতিরিক্ত RBC destruction হয়। এর কারণ গুলোকেও দুইটা ভাগে ভাগ করা হয়,
- Intra-corpuscular defect ( thalassemia, sickle cell anemia), এটা hereditary কারণে হয়। Intracapsular মানে RBC এর ভেতরের কোন সমস্যার কারণে Hb synthesis ব্যাহত হচ্ছে। সেটা membrane এ হতে পারে, enzyme এ হতে পারে, আবার জেনেটিক সমস্যার কারণে defective Hb chain synthesis ও হতে পারে।
- Extra- corpuscular defect ( Haemolytic disease of newborn, incompatible blood transfusion) . এটা acquired কারণে হয়। Extracorpuscular মানে RBC এর বাইরের কোন factor এর কারণে যদি RBC lysis হয়ে যায়।
Dyshaemopoietic anemia, এটার ক্ষেত্রেও দুইটি প্রধান কারণ রয়েছে-
Erythropoiesis এর essential elements গুলোর deficiency হলে, যেমন-
Iron deficiency anemia
Megaloblastic anemia (vitamin B12 & folic acid deficiency হলে)
Nutritional anemia ( protein energy malnutrition এর ক্ষেত্রে)
Anemia with scurvy ( vitamin C এর deficiency হলে)
Bone marrow disturbance হলে, যেমন-
Aplastic anemia
Sideroblastic anemia
Anemia with renal failure ( erythropoietin secretion reduced হয়ে যায়)
Anemia with endocrine disorders.
” এগুলোর মধ্যে ঠিক কোনটার কারণে টুনির এনিমিয়া হয়েছে তা আমরা পরবর্তীতে কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে বের করবো, মন্তু মিয়া” বললেন ডাক্তার আপা।
মন্তু : জ্বে আপা, বুঝলাম। তাইলে টুনির এখন কি করতে হইবো
ডাক্তার আপা : টুনির এখন কিছু করতে হচ্ছেনা, কিন্তু আপাতত আমরা সবার আগে টুনির এনিমিয়ার মাত্রা টা দেখবো। মাত্রা অনুযায়ী এনিমিয়ার clinical classification করা হয়। তিন রকমের ভাগ আছে, সেগুলো হলো-
Hb এর পরিমাণ যখন (12-9) gm % তখন সেটা mild anemia.
Hb এর পরিমাণ যখন (9-6) gm % তখন সেটা moderate anemia.
Hb এর পরিমাণ যখন 6 gm % এর থেকে কমে যায় তখন সেটা severe anemia.
মন্তু : এজন্যই কি আপা রক্ত পরীক্ষা দিলেন? হিমোগ্লোবিন দেখার জন্য
ডাক্তার আপা : হ্যাঁ মন্তু, তবে এছাড়াও আমরা রক্ত নিয়ে microscope এর নিচে রেখে দেখবো, morphological type বোঝার জন্য। এই morphological type অনুযায়ী এনিমিয়া আবার তিন ধরণের –

Microcytic hypochromic anemia (এক্ষেত্রে MCV, MCH,MCHC তিনটাই কমে যাবে) এটা হওয়ার পেছনে কারণগুলো হলো-
- Iron deficiency anemia
- Thalassemia
- Anemia of chronic disease
- Sideroblastic anemia
- Lead poisoning
Normocytic normochromic anemia ( MCV, MCH, MCHC তিনটাই নরমাল থাকবে কিন্তু RBC count low হবে).
এটা হওয়ার পেছনের কারণগুলো হলো-
- Acute blood loss
- Aplastic anemia
- Haemolytic anemia
- Renal disease
- Bone marrow failure
Macrocytic anemia (MCV, MCH বাড়বে কিন্তু MCHC normal থাকবে)
এটা হওয়ার পেছনের কারণ গুলো হলো-
Megaloblastic anemaia, এর মাঝে-
Megaloblastic anemia due to vitamin B12 deficiency
Megaloblastic anemia due to folate deficiency রয়েছে।
Normoblastic macrocytic anemia, এর মাঝে
Liver disease
Alcoholism
Hypothyroidism ইত্যাদি রয়েছে।
এখন যেটা প্রশ্ন, তা হলো এই MCV, MCH, MCHC আবার কি
এগুলো হলো Red cell indices. Mean corpuscular volume (MCV),
mean corpuscular haemoglobin (MCH), mean corpuscular haemoglobin concentration (MCHC) এর পরিমাপ টাকেই red cell indices বলে। এর মাঝে-
MCV বলতে আলাদা করে প্রত্যেক RBC এর average volume বোঝায়।
এটার normal value (76-96) femtolitres.
MCH বলতে প্রত্যেক RBC তে উপস্থিত Hb এর average amount বোঝায়।
এটার normal value (27-32) picogram.
MCHC বলতে একটি নির্দিষ্ট volume এর RBC তে বিদ্যমান প্রত্যেকে RBC তে উপস্থিত Hb এর average percentage বোঝায়। এটার normal value (31-35) gm/dl.
Jinat Afroz Kiron (PMC, 2016-17)
Abhishek Karmaker Joy (SSMC, 2016-17)
Pingback: হাজার বছরের সেই পুরোনো এনিমিয়া: পর্ব-৩: Iron deficiency anemia – Platform | CME